দর্পণ ডেস্ক
তবে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এই নীতির মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে আগামী শিক্ষাবর্ষে বিকল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়টি ভাবছেন।
অন্যদিকে মালির শিক্ষার্থী কানুতে বলেন, ‘গত সেপ্টেম্বরে আইন বিষয়ে পড়তে ফ্রান্সে আসার পর থেকেই তাকে পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন চাকরি করতে হচ্ছে। আমরা এখানে সুযোগ নেওয়ার জন্য আসিনি, পড়াশোনা করে ভবিষ্যৎ গড়তে এসেছি।’
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের শিক্ষার্থীদের ব্যাচেলর বা লাইসেন্স পর্যায়ে বছরে ২ হাজার ৮৯৫ ইউরো টিউশন ফি দিতে হবে। বর্তমানে এই ফি ১৭৮ ইউরো। একইভাবে মাস্টার্স পর্যায়ে ফি ২৫৪ ইউরো থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৯৪১ ইউরো করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ফরাসি পার্লামেন্টে বক্তব্য দিতে গিয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ফিলিপ বাতিস্ত বলেন, ‘নির্ধারিত এই ফি এখনো শিক্ষার প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অনেক কম। একজন শিক্ষার্থীর পেছনে মোট ব্যয়ের বড় অংশ এখনো রাষ্ট্র বহন করছে।’
এর আগে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর হায়ার এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে (সিএনইএসইআর) উপস্থাপিত প্রথম খসড়ায় মাত্র ১০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ফি মওকুফের সুযোগ রাখার প্রস্তাব ছিল। তবে তীব্র সমালোচনার মুখে সরকার পরে সেই সীমা বাড়িয়ে ২০ শতাংশে উন্নীত করে।
এ ছাড়া ধাপে ধাপে নতুন নীতি কার্যকর করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ছাড় দিতে পারবে, যা ২০২৭ সালে কমিয়ে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা রয়েছে।
তবে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো বলছে, আংশিক ছাড় দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। তারা পুরো নীতিমালা বাতিলের দাবি জানিয়ে আগামী ২৬ মে আবারও দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।



















