ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্সের সঙ্গ বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক : স্পিকার

  • আপডেট সময় ১১:৩৬:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে বন্ধুত্বের পরিচয় দেয়।

তিনি বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হচ্ছে ফ্রান্স।’

রবিবার (১৭ মে) স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর মাফিয়া শেখ হাসিনার সরকার এ দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছিলেন।

বাংলাদেশের জনগণ সব সময় স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। এ দেশের জনগণ গণতন্ত্র রক্ষায় নিজেদের বারবার আত্মোৎসর্গ করেছে।’ এ সময় ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত হয়েছে।

স্পিকার পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য হাফিজ উদ্দিনকে অভিনন্দন জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে তারা ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তারা দুই দেশের জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক স্থাপন, আন্তঃসংসদীয় সম্পর্ক জোরদার, নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ জাতিসংঘের শান্তি মিশনে নিযুক্ত বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী বাহিনীদের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

স্পিকার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আগামী অধিবেশনে সভাপতি পদে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ফ্রেঞ্চ সরকারের সমর্থন কামনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

এমসি কলেজ বাংলা বিভাগের অ্যালামনাই কমিটি গঠিত

ফ্রান্সের সঙ্গ বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক : স্পিকার

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে বন্ধুত্বের পরিচয় দেয়।

তিনি বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হচ্ছে ফ্রান্স।’

রবিবার (১৭ মে) স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর মাফিয়া শেখ হাসিনার সরকার এ দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছিলেন।

বাংলাদেশের জনগণ সব সময় স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। এ দেশের জনগণ গণতন্ত্র রক্ষায় নিজেদের বারবার আত্মোৎসর্গ করেছে।’ এ সময় ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত হয়েছে।

স্পিকার পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য হাফিজ উদ্দিনকে অভিনন্দন জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে তারা ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তারা দুই দেশের জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক স্থাপন, আন্তঃসংসদীয় সম্পর্ক জোরদার, নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ জাতিসংঘের শান্তি মিশনে নিযুক্ত বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী বাহিনীদের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

স্পিকার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আগামী অধিবেশনে সভাপতি পদে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ফ্রেঞ্চ সরকারের সমর্থন কামনা করেন।