ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন সম্পন্ন ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো, সমর্থনে রাজপথে হাজারো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইউরোপে নির্মিত হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র, শুটিং শুরু ১৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তায় যেসব আ. লীগ নেতার নাম আলোচনায় আট মাসে বিদেশে গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে বাংলাদেশিদের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ইইউর বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

  • আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।