ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীকে প্রবাসীদের ১৮ দফা দাবি সম্বলিত স্বারকলিপি প্রদান বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে বিসিবি নির্বাচন আজ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হলেন সিলেটের আব্দুল কাইয়ুম ফ্রান্সসহ ইউরোপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন ভিসা প্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা আজারবাইজানে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটির তথ্য ফাঁস পাকিস্তানে তিন সন্তানের সামনে ফরাসি পর্যটককে গণধর্ষণ, ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল বাংলাদেশের প্রার্থী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

  • আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীকে প্রবাসীদের ১৮ দফা দাবি সম্বলিত স্বারকলিপি প্রদান

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।