ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমান বহরে নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে ৭৮৭ ড্রিমলাইনার : ২০শে আগষ্ট যাচ্ছে বাংলাদেশে

  • আপডেট সময় ০২:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮
  • ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ বিমান বহরে নতুন সংযোজন ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ আগামী ২০ আগষ্ট বাংলাদেশে যাচ্ছে। গত মঙ্গলবার লন্ডনের অদুরবর্তী ফার্নবোরো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারশোতে বোয়িংর অত্যাধুনিক এয়াক্রাফ ৭৮৭ ড্রিমলাইনার প্রদর্শন করা হয়।
সর্বমোট ১০টি এয়ারক্রাফটের মধ্যে ৬টি ট্রিপুল সেভেন ইতিমধ্যে বাংলাদেশে উড়ছে। সর্বশেষ ৪টি হবে ড্রিমলাইনাররা এই প্রজেক্টে ইতিমধ্যে সরকার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে।

বাংলাদেশের ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের নাম দেওয়া হয়েছে আকাশবীণা। বিমানের ব্র্যান্ডিংয়ের কাজও শেষ। সিয়াটলের বোয়িং কারখানা থেকে উড়োজাহাজটি উড়াল দিয়ে বিশ্বেও দ্বিতীয় বৃহত্তর ফার্নবারা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারশোতে অংশ নেয়। এয়ারশোতে ড্রিমলাইনারসহ অধ্যাধুনিক এয়াক্রাফটের উপস্থাপনা দেখে এভিয়েশন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞসহ উপস্থিত দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হন। ড্রিমলাইনারের প্রথমটি এই মাসে আর দ্বিতীয় উড়োজাহাজটি নভেম্বরে বাংলাদেশে যাবে এবং বাকি দুটি যাবে আগামী বছরে। বোয়িংয়ের এই চীফ পাইলট ড্রিমলাইনারের ২০ পার্সেন্ট ফোয়েল এফিশিয়েন্সি আর আরমপ্রদ যাত্রার কথাই জানালেন।

এয়ারশোতে লন্ডনে বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে ঢাকা থেকে আসা বিমানের জেনারেল ম্যানেজার শাকিল মেরাজ এবং বিমানের ইউকে কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

গ্রিসে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইমন

বিমান বহরে নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে ৭৮৭ ড্রিমলাইনার : ২০শে আগষ্ট যাচ্ছে বাংলাদেশে

আপডেট সময় ০২:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮

বাংলাদেশ বিমান বহরে নতুন সংযোজন ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ আগামী ২০ আগষ্ট বাংলাদেশে যাচ্ছে। গত মঙ্গলবার লন্ডনের অদুরবর্তী ফার্নবোরো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারশোতে বোয়িংর অত্যাধুনিক এয়াক্রাফ ৭৮৭ ড্রিমলাইনার প্রদর্শন করা হয়।
সর্বমোট ১০টি এয়ারক্রাফটের মধ্যে ৬টি ট্রিপুল সেভেন ইতিমধ্যে বাংলাদেশে উড়ছে। সর্বশেষ ৪টি হবে ড্রিমলাইনাররা এই প্রজেক্টে ইতিমধ্যে সরকার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে।

বাংলাদেশের ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের নাম দেওয়া হয়েছে আকাশবীণা। বিমানের ব্র্যান্ডিংয়ের কাজও শেষ। সিয়াটলের বোয়িং কারখানা থেকে উড়োজাহাজটি উড়াল দিয়ে বিশ্বেও দ্বিতীয় বৃহত্তর ফার্নবারা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারশোতে অংশ নেয়। এয়ারশোতে ড্রিমলাইনারসহ অধ্যাধুনিক এয়াক্রাফটের উপস্থাপনা দেখে এভিয়েশন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞসহ উপস্থিত দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হন। ড্রিমলাইনারের প্রথমটি এই মাসে আর দ্বিতীয় উড়োজাহাজটি নভেম্বরে বাংলাদেশে যাবে এবং বাকি দুটি যাবে আগামী বছরে। বোয়িংয়ের এই চীফ পাইলট ড্রিমলাইনারের ২০ পার্সেন্ট ফোয়েল এফিশিয়েন্সি আর আরমপ্রদ যাত্রার কথাই জানালেন।

এয়ারশোতে লন্ডনে বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে ঢাকা থেকে আসা বিমানের জেনারেল ম্যানেজার শাকিল মেরাজ এবং বিমানের ইউকে কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।